Bangladesh News24

সব

ভুখা মানুষের স্বার্থে সরকারকে কঠোর হতে হবে

আহমদ রফিক

চাল বাঙালির প্রধান খাদ্য উপকরণ। মাছে-ভাতে বাঙালি বা নিম্নবর্গীয়দের জন্য ডাল-ভাতে জীবন বহুকথিত প্রবচন বা আপ্তবাক্য।
পাকিস্তান আমলে বাঙালিকে ভুট্টা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়ায় শক্তিমান শাসক বিশেষের জনপ্রিয়তায় টান পড়ে। গম তথা আটা অবশ্য স্বাস্থ্যগত বিধানের কারণে পরিবার বিশেষে একবেলা জায়গা করে নিলেও ধোঁয়া ওঠা ভাত বাঙালির প্রিয় খাদ্য। আর বিত্তহীন সংসারে পান্তা ভাত-পেঁয়াজ-মরিচ লবণ উপাদেয়, বাধ্যতামূলক যদিও।

এই কিছুদিন আগেও বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিল। এ বছর বন্যা, দুর্যোগ ইত্যাদি কারণে উৎপাদন কিছুটা কমলেও অবস্থা সংকট পর্যায়ে নয় বলেই বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত। তা সত্ত্বেও হঠাৎ গত কয়েক মাসে চালের দাম অযৌক্তিকভাবে দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। ভাবা যায়, গত এক মাসে সরু চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ছয় থেকে সাত টাকা। আর মোটা চালের মূল্যবৃদ্ধি তিন থেকে চার টাকা।

সরকার অবশ্য প্রতিরোধক ব্যবস্থা হিসেবে বিদেশ থেকে চাল আনার উদ্যোগ নিয়েছে।
ব্যবসায়ীদের চাল আমদানির সুযোগ করে দিতে দুই দফায় চালের আমদানি শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে। চাল আসা শুরু হয়েছে। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানির পরও দেখা যাচ্ছে, বন্দরসংলগ্ন দিনাজপুর জেলা শহরে চালের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। এ রহস্য দুর্বোধ্য নয়।

স্বভাবতই দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয় স্তম্ভের শিরোনাম : ‘চালের বাজারে অস্থিরতা’ ‘সরকারি মজুদ দ্রুত বাড়াতে হবে’। অন্য একটিতে শিরোনাম, ‘চালের দাম আর কত বাড়বে! খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার শেষ নেই। ’ অন্যদিকে একটি দৈনিকের শিরোনাম : ‘চালের মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারছে না সরকার। ’ না পারার কারণ ও করণীয় সম্পর্কে বিচার-বিবেচনা আমরা পরে করব।

তার আগে দেখা যাক, ক্রমান্বয়ে চালের মূল্যবৃদ্ধি জনসাধারণকে কিভাবে স্পর্শ করছে। এর প্রতিক্রিয়ায় মধ্যবিত্ত শ্রেণিতেও উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা দেখা দিয়েছে। আলোচনা আর সমালোচনা ব্যবসায়ীদের নিয়ে, চালের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে। আর নিম্নবর্গীয় মানুষের দুশ্চিন্তা, চালের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে দুবেলা ভাত জুটবে না। সরকার এসব ঠেকাচ্ছে না কেন। তাদের শেষ নির্ভর তো সরকার।

রাজনীতিক ও শাসকশ্রেণিতেও চাল নিয়ে অস্বস্তি। তাই চাল আমদানির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। কিন্তু সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারার কারণে চালের দাম ক্রমেই বেড়ে চলেছে মুনাফাবাজ ব্যবসায়ীকুলের ইচ্ছা পূরণ করতে। সেখানে বাধা দেওয়ার মতো কেউ আছে বলে মনে হয় না। কবির ভাষায়, ‘মাঠের সম্রাট’ যদিও কৃষক, উৎপাদক তারাই, তবু সমাজব্যবস্থার কারণে বাজারের সম্রাট বৃহৎ ব্যবসায়ীকুলের সিন্ডিকেট এবং মিল মালিকরা। তারাই ১৬ কোটি মানুষের খাদ্যব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকার সেখানে প্রায় দর্শকের মতো।

ব্যবসায়ীদের স্বার্থবুদ্ধি ও কূটচাল চাল রাজনীতিকে এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে খাদ্যমন্ত্রীকে বলতে হচ্ছে : ‘চাল নিয়ে চালবাজি হচ্ছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে বলতে হচ্ছে : চাল নিয়ে ‘কারা এই খেলা খেলছে তাদের খুঁজে বের করতে হবে। ’ কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই খেলুড়েদের পরিচয় কি অজানা? তারা কি সমাজে অচেনা কেউ? না, তারা কম-বেশি সবারই চেনাজানা শ্রেণির মানুষ।

এই মুনাফাবাজ সিন্ডিকেট এমনই শক্তিমান যে তারা চেনা হয়েও অচেনা। এরা পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থার দান। বলতে হয়, এরা একধরনের দুষ্টগ্রহ। মজুদদার, মুনাফাবাজ নামে এদের পরিচয়। কখনো এরা বৃহৎ ব্যবসায়ীকুলের জোট (সিন্ডিকেট), কখনো বিশেষ ক্ষমতাশালী মিল মালিক। তারা এতটাই ক্ষমতাশীল সংঘ যে জনৈক বিশেষজ্ঞের মতে ‘চালকলে অভিযান চালালে বাজার অস্থিতিশীল হতে পারে। ’ অর্থাৎ বাজার অস্থিতিশীল করার ক্ষমতা এরা রাখে।

অন্যদিকে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মূল্যায়নে বাংলাদেশে চালের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সতর্কবার্তার প্রকাশ ঘটেছে। তাদের মতে, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। তাদের পরামর্শ অবিলম্বে ‘ওএমএস চালু, ১০ টাকা কেজি দরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নেওয়ার। ’ ‘খাদ্য বাজারের প্রবণতা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে চাল উৎপাদক বিভিন্ন দেশের চাল পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এসব কথাবার্তা ও বাংলাদেশের প্রতি উপদেশ বর্ষণ করা হয়।

অথচ অবাক হওয়ার মতো ঘটনা যে এরা চালের বাজারের সার্বিক নিয়ন্ত্রক সিন্ডিকেটগুলোর দিকে নজর দিচ্ছে না। মজুদদারির অপরাধের কথা বলছে না। দেখেও দেখছে না; ‘দেশের অনেক জায়গায় মিলগেট থেকে খুচরা বাজারে চালের দামে ভারসাম্য নেই। ’ এককথায় চালের ঘাটতি নিয়ে রাঘব বোয়াল থেকে চুনোপুঁটি, এমনকি রুই-কাতলারাও পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে।

দুই.

অবস্থা বিশ্লেষণে বিশেষজ্ঞ-আমলাদের কেউ কেউ এগিয়ে এসেছেন, চালের দাম না কমার কারণ নিয়ে বিচার-ব্যাখ্যা করছেন। তাঁদের কারো মতে, এ অবস্থার মূল কারণ একাধিক। যেমন—‘গত কয়েক বছরে দেশে চাল উৎপাদন প্রবৃদ্ধির হার হতাশাব্যঞ্জক। ’ কিন্তু এদিকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া বা নজর দেওয়া হয়নি। উৎপাদন বৃদ্ধির বদলে চাল আমদানি করে ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হয়েছে। বলা বাহুল্য, এ নীতি সমাজবান্ধব নয়।

বরং দরকার ছিল কৃষিক্ষেত্রে সার্বিক উৎপাদনে, বিশেষ করে বাঙালির প্রধান খাদ্য উপাদান চাল-ডাল উৎপাদনে পুরনো ব্যবস্থার দিকবদল ও নতুন জ্ঞানপ্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষকদের অভ্যস্ত করে তোলা। যে চেষ্টা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ গ্রাম উন্নয়ন ও পল্লী পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে পতিসরে কালিগ্রাম পরগনায়। এবং সে চেষ্টায় অনেকাংশে সফলও হয়েছিলেন।

এদিক থেকে আজকের বাংলাদেশে ‘এনজিও’ তথা বেসরকারি সংস্থার কর্মসূচি চরিত্রগুণে রবীন্দ্র প্রচেষ্টার ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি। বরং এদের আধপাকা কর্মসূচি দরিদ্র কৃষক-জনতার সংগ্রামী চেতনা নিষ্ক্রিয় করে দিচ্ছে। সাহায্য-সহায়তার নামে এর নেতিবাচক দিকটিই প্রধান হয়ে উঠেছে। ভূমিহীন কৃষকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ ভূমিহীন সমিতির হিসাব মতে, ভূমিহীনদের সংখ্যা কৃষকসমাজের ৬০ শতাংশে পৌঁছেছে।

কৃষকবান্ধব ভূমিব্যবস্থার পত্তন, উৎপাদনব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, জমির মালিকানা ও অধিকার পুরোপুরি কৃষকের হাতে নিশ্চিত করা হলে নিঃসন্দেহে উৎপাদন রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছাতে পারত। যেমনটা ঘটেছিল রুশ বিপ্লবের পর লেনিনের উদ্যোগে রাশিয়ায় তথা তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে। কৃষক নিজ স্বার্থেই উৎপাদনে তার সর্বশক্তি নিয়োগ করে উৎপাদন রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছে দেয়। দিতে পারে যখন সে জানে জমির সর্বস্বার্থ একান্তভাবেই তার নিজস্ব। কিন্তু বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কৃষিবান্ধব ভূমি সংস্কার, কৃষি উৎপাদন সংস্কারের পরিবর্তন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়নি।

তা ছাড়া কৃষিপণ্যের বাজার, চালের বাজার মিল মালিক ও বৃহৎ ব্যবসায়ীদের স্বার্থপরতার গুদামে বন্দি হয়ে আছে, তা জনস্বার্থে মুক্তি পাচ্ছে না। অবস্থা অনেকটাই সামন্ত স্বার্থনির্ভর পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় আটকে আছে। তাই উৎপাদন যা-ই হোক, যেমন—চাল, তার বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে মিল মালিক ও মজুদদার ব্যবসায়ী। সরকারের ভূমিকা সেখানে গৌণ। টিসিবিতে লোকশ্রুতি মতে দুর্নীতির রমরমা ব্যবসা। এখানেও সরকারের ভূমিকা বলিষ্ঠ নয়। তারা জনগণের পূর্ণাঙ্গ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না।

তাই একটি দৈনিকের সংবাদ শিরোনাম : ‘চালের দাম লাগামছাড়া’। শুধু চালই নয়, ‘সবজিসহ সব কিছুর দামই বেড়েছে। ’ বলা উচিত বেড়ে চলেছে। এককথায় পণ্যবাজার, খাদ্যপণ্য বাজারের নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতছাড়া। নিয়ন্ত্রণ ও লাগাম অসাধু ব্যবসায়ী, স্বার্থান্ধ সমাজবিরোধীদের হাতে। তাদের অন্যায় ও অবৈধ তত্পরতার কারণে ‘সরকারি হিসাব মতেই এখনো চার কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। ’ গবেষকদের মতে, এদের ‘একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হতদরিদ্র। ’

‘বিআইডিএস’-এর গবেষণা বলে, ‘চালের দাম বাড়লে, বিশেষত মোটা চালের দাম বাড়লে এদের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। ’ ফলে তাদের জীবনে নেমে আসে অর্ধাহার, একবেলা খাওয়ার দুর্দশা। হয়তো তাই কথিত সমাজহিতৈষী কারো পরামর্শ, ভাতের বদলে আলু খাওয়ার জন্য। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী চিরন্তন খাদ্যাভ্যাস বদলানো সহজ নয়। তাই ইউরোপীয় আলুভোজীদের মতো হতদরিদ্র বাঙালি কতটা আলুভোজী হতে পেরেছে, তা নিয়ে গবেষণা চলতে পারে।

চাল ও চালের বাজার নিয়ে সাতকাহন আলোচনায় তাই প্রধান হয়ে ওঠে চালের উৎপাদনব্যবস্থা, বিতরণব্যবস্থার নীতিকথা নিয়ে, জনবান্ধব নীতির প্রয়োগ নিয়ে, সামাজিক-রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে। জনস্বার্থ এগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করে। করে নিঃস্বার্থ পরিচালনার ওপর। এসব ক্ষেত্রে সামাজিক-রাজনৈতিক দুর্নীতি লক্ষ্য অর্জনে বড় বাধা। অনেক সময় সঠিক নীতিও সরিষার মধ্যে ভূতের উপস্থিতির কারণে সুফল অর্জন করতে পারে না।

সমাজতন্ত্রীরা জনস্বার্থে জাতীয়করণ নিয়ে যেসব কথা বলে থাকেন, তাও কার্যকর হয় না, সুফল সৃষ্টি করে না মূলত সামাজিক-রাজনৈতিক দুর্নীতির কারণে। তাই সমাজব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা থেকে দুর্নীতির মূলোচ্ছেদ কারো কারো মতে লক্ষ্য অর্জনের সহায়ক। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনালগ্নে শিল্প-কারখানার আংশিক জাতীয়করণ নীতি ব্যর্থ হয়েছিল পেশাজীবী ও কারখানা শ্রমিকদের শক্তিমান লুম্পেনদের দুর্নীতির কারণে। একে একে একদা লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসানি দুস্থ অবস্থায় পৌঁছে যায়। এ দুরবস্থার নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ সম্ভব হয়নি সরকারের পক্ষে।

তিন.

এখন বড় সমস্যা ধান-চাল উৎপাদন, বিতরণ, দুর্নীতি, স্বার্থপরতা ইত্যাদি নিয়ে। একে জায়েজ করতে কখনো দেখা যায় খরা-বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো ঘটনাবলির দোহাই দিতে। সন্দেহ নেই এগুলোও সমস্যার কারণ কিন্তু অতিক্রমযোগ্য। বড় কারণগুলোর দিকে নজর কমই যায়। যায় তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থার দিকে, স্থায়ী ব্যবস্থার দিকে নয়। এখানেই শ্রেণিস্বার্থের প্রশ্নগুলো সামনে এসে দাঁড়ায়।

সেগুলোর সঠিক মোকাবেলা না করলে চাল কেন, সব পণ্যবাজারের সমস্যাই স্থায়ী রূপ নেবে। এ সমস্যা সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে দরকার গোড়ার গলদে হাত দেওয়া। প্রথমত, দুর্নীতির মূলোচ্ছেদ। দরকার বৃহৎ ব্যবসায়ী জোট ও মিল মালিকসহ অনুরূপ সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলে বাজার নিয়ন্ত্রণ দুর্নীতিহীন শাসনের অধীনে নিয়ে আসা। সে ক্ষেত্রে জাতীয়করণ সহায়ক ব্যবস্থা হতে পারে।

দরকার কৃষি উৎপাদনব্যবস্থার খোলনলচে পাল্টানো, যে ইঙ্গিত এর আগে দেওয়া হয়েছে। আরো দরকার ভূমি সংস্কার, কৃষি উৎপাদনব্যবস্থার জনবান্ধব সংস্কার এবং তা সার্বিক জনস্বার্থে। তাতে উৎপাদন বাড়তে বাধ্য। কিন্তু সেই সঙ্গে জরুরি, সরকারপক্ষে চালের মতো খাদ্যপণ্যের সুষ্ঠু মজুদব্যবস্থা গড়ে তোলা। যাতে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিণামে সৃষ্ট ঘাটতি মোকাবেলা করা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা হিসেবে প্রয়োজন অসাধু দুষ্ট পেশাজীবী, বৃহৎ ব্যবসায়ী, আমদানিকারকদের কর্মতত্পরতার যথাযথ নিয়ন্ত্রণ। আসলে মজুদ ও আমদানি যদি দেশপ্রেমী সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকে, থাকে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে, তাহলে চালের মতো পণ্য নিয়ে সংকট ও সমস্যা বারবার দেখা দেবে, দিতেই থাকবে। সে দুর্যোগ থেকে মুক্তি মিলবে না।

তাই চালের বর্তমান সংকট নিয়ে উল্লিখিত ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শেষ কথা হচ্ছে, যারা জনস্বার্থ নিয়ে, ক্ষুধিতের অন্ন নিয়ে স্বার্থপর খেলা খেলছে, সে খেলার সমূল বিনাশ। শুধু হুঁশিয়ারি উচ্চারণ বা হুমকিতে কোনো কাজ হবে না। তার প্রমাণ একাধিক মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি এবং প্রধানমন্ত্রীর তির্যক মন্তব্যের পরও সর্বশেষ সংবাদে প্রকাশ : চালের মোকামে প্রধান কেন্দ্রগুলোতে চালের দাম বেড়েই চলেছে। সিন্ডিকেট মনে হয় হুঁশিয়ারির ঊর্ধ্বে। কাজেই ভুখা জনতার মুখ চেয়ে সরকারকে কঠোর হতে হবে।

লেখক : কবি, গবেষক, ভাষাসংগ্রামী

image-id-663299

উন্নয়নের অন্তরায় দুর্নীতি

image-id-663296

আদর্শহীন রাজনীতির ভবিষ্যৎ কী

image-id-662710

তিনি কি ভয় পেয়ে গেলেন

image-id-662704

সরব সবুজে নীরব কর্মী

পাঠকের মতামত...
image-id-662320

শিক্ষক এবং শিক্ষকতা

ছোট শিশুদের স্কুল দেখতে আমার খুব ভালো লাগে। সুযোগ পেলেই...
image-id-662008

স্বাধীন কুর্দি রাষ্ট্র নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা

পরস্পরবিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শ সত্ত্বেও জাতীয়তাবাদী ও সমাজতন্ত্রী উভয়ে উপদ্রুত জাতিসত্তার...
image-id-661460

তৃতীয় ধারার জোট গঠনে সব বাধাই অরাজনৈতিক

বিশাল জনসমর্থিত দল না হলেও রাজনীতিসচেতন সাধারণ মানুষের কাছে কোনো...
image-id-661457

মিয়ানমার রোহিঙ্গা ইস্যু এবং ইইউ-মার্কিন বিধি-নিষেধ

মিয়ানমারের ওপর, বিশেষ করে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর বিধি-নিষেধ...
image-id-663597

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা

তিন মাস পর সোমবার অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের...
image-id-663592

ফিফার বর্ষসেরা একাদশে রিয়ালের ৫, বার্সার ৩

সোমবার রাতেই ঘোষণা করা হবে বেস্ট ফিফা অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীর নাম।...
image-id-663588

স্তন কেটে, ধর্ষণের পর লজ্জাস্থানে কাঠ গুঁজে রোহিঙ্গা নারীদের নির্যাতন

আগস্ট থেকে অক্টোবর। পেরিয়ে গেছে দু’মাস। এরপরও মিয়ানমারের রাখাইনে মুসলিম...
image-id-663585

তারকাদের সত্য-মিথ্যা ১৩ সেক্স স্ক্যান্ডাল

হলিউড তারকাদের জীবনে ‘স্ক্যান্ডাল’ নিত্যদিনের ঘটনা। বলিউডেও এরকম স্ক্যান্ডাল নিয়ে...
© Copyright Bangladesh News24 2008 - 2017
Published by bdnews24us.com
Email: info@bdnews24us.com / domainhosting24@gmail.com